Breaking News

কৌশলে জনগণের ঘাড়ে করের বোঝা চাপালো সরকার

Budget-7_219359

শিশু থেকে আবাল বৃদ্ধ-বণিতা, তা দরিদ্রই হোক আর হত দরিদ্রই হোক, মাথার ওপর চাল-চুলা থাকুক না থাকুক, দু’বেলা খাবার জুটুক না আর জুটুক – সবারই মাথাপিছু ঋণ ৬০ হাজার টাকা। গেল একবছরে দেশের মানুষ প্রতি এই ঋণ বেড়েছে ৯ হাজার টাকা। বাংলাদেশ পদোন্নতি পেয়ে ‘স্বল্পোন্নত’ থেকে নাম লিখিয়েছে ‘উন্নয়নশীল’ দেশের কাতারে। আর দেশের উন্নয়নে রবি ঠাকুরের ‘সামান্য ক্ষতি’ কবিতার মতো মানুষ মাথাপিছু ঋণভারে জর্জরিত হয়েছে মাত্র। বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ কোটি টাকা, যা সোয়া ১৬ কোটি মানুষ দিয়ে ভাগ দিলে দাঁড়ায় এই অংক। টানা ১০ বছর ন্যূনতম জবাবদিহিতা-স্বচ্ছতার তোয়াক্কা না করে আওয়ামী লীগ সরকারের শনৈ শনৈ উন্নতিতে খেসারতের নমুনা মাত্র এটি। এখানেই শেষ নয়, অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নে আগামী বছরে আরও সাড়ে ৭ হাজার টাকা বেড়ে মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে সাড়ে ৬৭ হাজার টাকা। বাজেটের টাকার যোগানে সরকার ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার পরিকল্পনা করেছে। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে জনগণের করের টাকায় যত লুটপাট বাড়বে, ততই বাড়বে ঋণের বোঝা। তাইতে সুদ পরিশোধেই বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫১ হাজার কোটি টাকার বেশি। এই টাকা দিয়ে অন্তত দুটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব, যা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে মোট বরাদ্দের দ্বিগুণের চেয়ে বেশি।

বাজেট: ধনীদের সুবিধা বেড়েছে
মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা, বহুল প্রচলিত এই প্রবাদ বাক্যের ব্যাখ্যা সবারই জানা। একবাক্যে বললে এবারের বাজেটে কৌশলে জনগণের ওপর সেই খাঁড়ার ঘা চাপিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতিতে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে নাভিশ্বাস উঠা মানুষের কাছ থেকে শুষে নিংড়ে টাকা আদায়ের অভিনব বেশ কিছু প্রস্তাব রয়েছে। কিন্তু এমনভাবে করা হয়েছে যাতে চট করেই কেউ বুঝতে না পারেন, ধরতে না পারেন কীভাবে করের বোঝা চাপানো হয়েছে। উল্টো দিকে উচ্চবিত্তসহ সম্পদশালীদের জন্য বাজেটে নানা রকমের ছাড় দিয়েছেন। ব্যাংকের উদ্যোক্তাসহ ২০ ভাগ ধনিক শ্রেণীকে সুযোগ করে দিয়েছেন আরও সম্পদশালী হওয়ার। এর অংশ হিসেবে ব্যাংক-বীমার করপোরেট কর আড়াই শতাংশ কমিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। মালিকপক্ষকে এই সুবিধা দিলেও বিনিয়োগ বৃদ্ধি হবে না, কমবে না ব্যাংকের ঋণের সুদ হার, এমনকি ব্যাংকের আমানতকারী জনগণের স্বার্থ রক্ষাও হবে না। তাহলে কাদের খুশি করতে ছাড় দেয়া হলো? উত্তরটা দিয়েছে গবেষণা সংস্থা সিপিডি তারা বলছে, “ভোটের টাকার যোগানদাতাদের খুশি রাখতে এমন করা হয়েছে।” ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্য-লুটপাট বন্ধ না করে মালিকপক্ষকে একের পর সুবিধা দেয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন সবাই। একইভাবে হাইব্রীড গাড়ি আনার শুল্ক ৪৫ থেকে কমিয়ে করেছেন ২০ ভাগ। অন্যদিকে রিকন্ডিশনড বা পুরনো গাড়ীর দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছেন। পুরনো গাড়ীর সিংহভাগ ক্রেতা মধ্যবিত্ত শ্রেণী, আর হাইব্রীড গাড়ীর ক্রেতা উচ্চবিত্তরা। এতে মধ্যবিত্তদের বাড়তি পয়সা গুণতে হবে গাড়ী কিনতে আর সাশ্রয়ী হবে উচ্চবিত্তদের গাড়ীর বেলায়। এভাবে বৈষম্যকে উস্কে দেয়ার রাষ্ট্রীয় নীতিতেই চলছে দেশ, বাজেটে তারই প্রতিফলন ঘটেছে।

গরীব আরও গরীব হবে
মধ্যবিত্তদের গাড়ীর মূল্যবৃদ্ধির মতো কেউ ছোট ফ্ল্যাট কিনতে গেলে বাড়তি টাকা গুণতে হবে। ১১শ’ বর্গফুট ফ্ল্যাটের নিবন্ধন খরচ দশমিক পাঁচ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে ১১শ’ থেকে ১৬শ’ বর্গফুটের বেলায় কমিয়েছে দশমিক পাঁচ শতাংশ। ছোট ফ্ল্যাটে খরচ বাড়িয়ে অর্থমন্ত্রী বড় ফ্ল্যাটের খরচ কমিয়েছেন। যারা একটু ঋণ নিয়ে নিজের জন্য মাথা গোঁজার ঠাঁই কিনতে চায় তাদের নিরুৎসাহিত করা হলো। সবাই যখন দ্রুতগতিতে আয় বৈষম্যের বৃদ্ধি কমিয়ে আনার তাগিদ দিচ্ছেন, তখন অর্থমন্ত্রী হাঁটছেন উল্টো পথে। তারপরও কি এই বাজেট জনবান্ধব?

উন্নত-উন্নয়নশীল সব দেশই রাজস্ব আদায়ে বেশি গুরুত্ব দেয় ব্যক্তি ও কোম্পানীর আয় থেকে। যা প্রত্যক্ষ কর হিসেবে পরিচিত। অথচ বাংলাদেশে দিনে দিনে কমছে আয়কর বা প্রত্যক্ষ করের অবদান। বাড়ছে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট এবং আমদানী শুল্ক থেকে, যা পরোক্ষ কর হিসেবে পরিচিত। পরোক্ষ কর মানে দোকান থেকে কোনো পণ্য বা জিনিস কিনলেই নির্ধারিত ভ্যাট-শুল্ক কেটে রাখবে দোকানীরা। আপনার আয় করযোগ্য হোক কিংবা না হোক আপনাকে ভ্যাট দিতে হবে। একজন দিনমজুর কিংবা ভিখেরীও যদি দোকান থেকে কিছু কেনেন তা হলে তাকেও ভ্যাট দিতে হবে। ১৬ কোটি মানুষকেই ভ্যাট দিতে হবে। ধনীরা যে হারে দেবে, গরীবকেও সেই ভ্যাট দিতে হবে। এ কারণে পরোক্ষ করকে সামাজিকভাবে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা হয়। এতদিন সর্বনিম্ন স্তরে ভ্যাট হার ছিল দেড় শতাংশ, বাজেটে তা বাড়িয়ে করা হয়েছে দুই শতাংশ। এখানেও আধা শতাংশ বেশি পয়সা গুণতে হবে দেশের মানুষকে। সাথে ৬ হাজারের বেশি পণ্যে আমদানী শুল্ক ১ শতাংশ বাড়ানোয় এসব পণ্যের দাম বাড়বে। এমনিতেই ব্যবসায়ীরা মুখিয়ে থাকে জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির আশায়, সেখানে নতুন সিদ্ধান্তে আরও এক দফা বাড়বে দ্রব্যমূল্য। আর ব্যবসায়ীরা জনগণের কাছ থেকে ভ্যাট আদায় করলেও শেষ পর্যন্ত তা কতোটা সরকারের কোষাগারে জমা পড়ে তা নিয়েও রয়েছে সংশয়। দুনিয়াজোড়া সবাই যখন রাজস্ব আদায়ে প্রত্যক্ষ করের উপর জোর দিচ্ছে তখন কেন অর্থমন্ত্রী উল্টো পথে হাঁটছেন? কারণটা সবারই জানা, ভ্যাট ও শুল্ক আদায় করা সহজ, হরেদরে সবাইকে কিছু কিনলেই ভ্যাট দিতে হবে। কিন্তু এটা এমন কৌশলে করা হচ্ছে যাতে কেউ এ নিয়ে খুব বেশি কথাবার্তা বলতে না পারে। দারুণ এক কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।

চার বছর আগে করমুক্ত ব্যক্তির আয় সীমা আড়াই লাখ টাকা করা হয়েছিল। প্রতিবছর ৬ শতাংশ মূল্যস্ফীতি ধরলেও এই অংকটা বেড়ে তিন লাখ টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু সরকারের বক্তব্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হলে অনেক মানুষ যারা এখন কর দিচ্ছেন তারা সীমার বাইরে চলে যাবে, সরকার রাজস্ব হারাবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাহলে ব্যাংকিংখাতে করপোরেট হার কেন কমালেন তিনি? ব্যাংকগুলো প্রতিবছর শত শত কোটি টাকা মুনাফা করছে। আর এই মুনাফায় ফুলে ফেঁপে ওঠাদের কর কমানোর যুক্তিই বা কী? তবে কি সিপিডি’র আশংকাই ঠিক যে, আগামী নির্বাচনের তহবিল মোটাতাজাকরণেই ব্যাংক ব্যবসায়ীদের ছাড় দেয়া হয়েছে পরিকল্পিতভাবে?

ভাড়ায় গাড়ী ও মোটর সাইকেল সেবা প্রদানকারী উবার এবং পাঠাও ব্যবহারে কর গুণতে হবে। কর বসানোর ঘোষণা দিয়েছেন ভার্চুয়াল কেনাকাটা বা অনলাইন শপিং এর ওপর। ভ্যাট বসিয়েছেন ব্র্যান্ডের দোকান থেকে পোষাক কেনার ওপরেও।

রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অবাস্তব
দ্বিতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ বাজেটের আকার ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। বাজেটের আকার নিয়ে রয়েছে বির্তক, যদিও একে বিশাল বলতে নারাজ অর্থমন্ত্রী। কিন্তু প্রশ্ন হলো কোন্ বিবেচনায় অর্থমন্ত্রী নির্ধারণ করলেন প্রায় চার লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট? কেনই বা তিনি ৫ লাখ কোটি টাকা করতে চেয়েছিলেন? দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন যোগ্যতার ভিত্তিতে হচ্ছে, না কী অর্থমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ‘৫ লাখ কোটি টাকার’ মাইলফলক ছোঁয়ার খায়েশ পূরণে আকার নির্ধারণ করা হচ্ছে তা জানা জরুরি। স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেই যে টাকার বাজেট বাস্তবায়নে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে জাতীয় নির্বাচনের বছরে বাড়তি ১ লাখ কোটি টাকার বাস্তবায়ন কীভাবে সম্ভব? নির্বাচনের ডামাডোলের বছরে স্থানীয় প্রশাসনসহ সরকারি কর্মকর্তারা ‘ওয়েট এন্ড সি’ ভঙ্গীতে কাজ করবেন। একদিকে দক্ষতা-স্বচ্ছতা বাড়েনি, অন্যদিকে নির্বাচনের বছর হওয়ায় নিশ্চিতভাবেই আগামী অর্থবছরের বিশাল এই বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।

লুটপাটের ক্ষেত্র উন্নয়ন বাজেট
আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। চলতি বাজেটে এক লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার এডিপি বাস্তবায়ন করা যায়নি। এমনকি কাটঁছাট করে তা ১ লাখ ৫৩ হাজার কোটি টাকা করা হলেও তার বাস্তবায়ন নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সংশয়। আবার যতটা বাস্তবায়ন হবে তারও সিংহভাগ টাকাই খরচ করা হয় জুন মাসে। ফলে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে অর্থবছরের শেষ মাসে তাড়াহুড়া করে টাকা ছাড় হয়, কাজের কাজ কিছুই হয় না। যাও হয় তা যেনতেন ভাবে। বিন্দুমাত্র নজরদারি ও জবাবদিহিতা নেই, আদৌ টাকা খরচ হচ্ছে কি’না বা প্রকৃত কাজটা হয়েছিল কি’না তাও খতিয়ে দেখা হয় না। এর মাধ্যমে বৈধভাবে জনগণের প্রদত্ত করের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের রাষ্ট্রীয় আয়োজন চলে। রাতারাতি পুঁজিপতি বানানোর অভিনব ব্যবস্থা গড়ে ওঠে পুঁজিবাদী শাসন ব্যবস্থায়। এতে করে প্রকল্প পরিচালকসহ মন্ত্রী-এমপি ও দলীয় সুবিধাভোগী অল্প কিছু মানুষ ক্রমেই সম্পদশালী হয়ে উঠছে। অনেকটা ওপেন সিক্রেটের মতো শেষ মাসে টাকা ছাড় করতে চলে ঘুষ বাণিজ্য, দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি।

আগামী বাজেটে এই লুটপাট লাগামহীন করার সুযোগ করে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বলেছেন, “বাজেট পাশের পর দিন থেকেই টাকা খরচ করতে পারবে মন্ত্রণালয়গুলো। এর জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ের অনুমতি নেয়ার প্রয়োজন নেই।” এ সিদ্ধান্ত নেয়ার উদ্দেশ্য বুঝতে কাউকে গবেষক হওয়ার দরকার পরে না। বরাদ্দকৃত টাকা যে যার ইচ্ছামাফিক তুলবে এবং খরচ করবে। স্বাভাবিকভাবে কাজের কাজ কিছু না করেই সরকারদলীয় ঠিকাদারসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা হাতিয়ে নেয়ার সুযোগ করে নিল।

বৈষম্য উস্কে দেয়ার বাজেট
ফলে বাজেটের আকার যেভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে বৈষম্য। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মাত্র ১০ ভাগ ধনীদের হাতে দেশের প্রায় ৮০ ভাগ সম্পদ কুক্ষিগত হচ্ছে। এই ধনীদের মধ্যে হাতে গোণা শীর্ষ কয়েকজনের নিয়ন্ত্রণে ধনীদের মোট সম্পদের ৯০ভাগ। উল্টোদিকে দেশের নিম্ন আয়ের ১০ শতাংশ মানুষের আয় কমেছে। পাহাড়সম বৈষম্যের চাপে দিনে দিনে বেঁচে থাকার সম্পদ হারিয়ে দরিদ্র মানুষগুলো হচ্ছে আরও হতদরিদ্র।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দারিদ্র্য বিমোচনের পরিসংখ্যানও প্রমাণ দিচ্ছে সেই কথার। তথাকথিত শনৈ শনৈ উন্নতির পরও কেন থমকে আছে দারিদ্র্য বিমোচন সেই প্রশ্ন তুলেছেন অর্থনীতিবিদরা। প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে প্রতিবছর লাখ লাখ কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেটের টাকা যাচ্ছে কোথায়? কাদের উন্নয়ন হচ্ছে? দেশের উন্নয়ন মানে তো দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন। এত এত উন্নয়নের পরও কেন উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে একশ জনের মধ্যে ৭১ জনই দরিদ্র? কেন দিনাজপুরের শতকরা ৬০ ভাগ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে? এসব তথ্য খোদ সরকারি সংস্থা পরিসংখ্যান ব্যুরোর, যা সম্প্রতি তুলে ধরেছে গণমাধ্যম। তাহলে জনগণের করের টাকায় উন্নয়নের সুফল যাচ্ছে কাদের পকেটে? বাজেট শুধু সরকারের একবছরের আয়-ব্যয়ের দলিল নয়। এখানে রাষ্ট্রীয় পলিসি থাকে, যা কাকে কখন কতটা গুরুত্ব দেবে সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পুঁজিবাদী মুনাফামুখী ব্যবস্থায় এভাবেই উন্নয়নের লাভের গুড় পিঁপড়া খেয়ে ফেলছে।

সাম্যবাদ জুলাই-আগষ্ট ২০১৮

Check Also

photo-111

পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক সংকট

লেখক হুমায়ুন আজাদ ‘সবুজ পাহাড়ে হিংসার ঝর্ণাধারা বইতে লিখেছেন, “বাঙ্গলাদেশের এক রূপময় খন্ড পার্বত্য চট্টগ্রাম, …