Breaking News

সমাবেশ-ফেরত বিএনপি নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার সরকারের নগ্ন ফ্যাসিবাদী পদক্ষেপ

80968_bnp

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)’র কেন্দ্রীয় কার্যপরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরী এক বিবৃতিতে বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সকল রকম গণতান্ত্রিক চর্চার উপর নির্মম পুলিশী হস্তক্ষেপ করছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিএনপি সোহরোওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করে। শান্তিপূর্ণ এই কর্মসূচি থেকে ফেরার পথে শাহবাগ, মৎস্য ভবনসহ বিভিন্ন পয়েন্টে বিএনপি নেতা-কর্মীদের পুলিশ মারধোর করে, গ্রেফতার করে। পত্রিকার ভাষ্যমতে, প্রায় সাড়ে তিনশ’ নেতা-কর্মীকে সেদিন গ্রেফতার করা হয়। এর পরদিন অর্থাৎ গতকাল ১ অক্টোবর পুলিশ বিএনপি-র শীর্ষ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মওদুদ আহমেদ, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খানসহ ৫৫ জন নেতা-কর্মীদের নামে ‘সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া’র অভিযোগে মামলা দেয়। এই মামলার সাত আসামীকে ইতোমধ্যেই একদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আমরা এই অন্যায় গ্রেপ্তার ও বানোয়াট মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরী আরও বলেন, “আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার যত দিন যাচ্ছে, তত বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে ২০ সেপ্টেম্বর বাম গণতান্ত্রিক জোটের নির্বাচন অফিস অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল থেকে সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাসদ (মার্কসবাদী) নেতা এড. খগেন্দ্রনাথ ঘোষ, অধ্যাপক প্রশান্ত রায় ও বাসদ নেতা নিত্যানন্দ সরকারকে। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাদের বিরুদ্ধে বানোয়াট মামলা দেয়া হয়েছে, এখন পর্যন্ত জামিন দেয়া হচ্ছে না। সবরকম মত প্রকাশের অধিকারকে সরকার পদদলিত করছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করায় আলোকচিত্রী শহীদুুল আলমকে গ্রেপ্তার-নির্যাতনের পর এখনো জেলে আটকে রাখা হয়েছে। ফেসবুকে মত প্রকাশ করায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাইদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হচ্ছে, যত্রতত্র যাকে-তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে, গুম করা হচ্ছে, ঘটছে বিচার বহির্ভূত হত্যাকা-, স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন দমনে শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। বিরোধী যে কোনো শক্তির উপর এই ধরনের জুলুম প্রতিনিয়ত সরকার ঘটিয়ে যাচ্ছে, এভাবে চলতে পারে না। এই পুলিশী রাজত্বে জনসাধারণও নিরাপদ নয়, যে কোনো সময় যে কেউ নিপীড়ন ও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ হওয়া প্রয়োজন।”

তিনি দেশের সকল গণতন্ত্রমনা মানুষকে এই নিপীড়নমূলক শাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

Check Also

LDJ_141018

নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তদারকি সরকার গঠন করতে হবে

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক দুঃশাসন-জুলুম-লুটপাটের প্রতিবাদে, জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তদারকি …