Breaking News

সিরিয়ায় এখনও কেন যুদ্ধ চলছে?

skynews-syria-ghouta-world_4236752

পশ্চিমা মিডিয়ায় এখন মানবতা নিয়ে তোলপাড়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে পূর্ব ঘৌতায় আক্রমণ করেছে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী ও রাশিয়ান বাহিনী। তারা শত শত মানুষ মারছে, শিশুদেরও বাদ দেয়নি, ফলে তারা কতটা নৃশংস — এ সংবাদে সংবাদমাধ্যমগুলো মুখর। পূর্ব ঘৌতায় কিছু হয়নি, মানুষ মারা যাচ্ছে না, শিশুরা মরছে না এটা প্রমাণ করার জন্য এ লেখা নয়। কিন্তু আসলে মরছে কীভাবে, আর মারছেই বা কে? সিরিয়ায় এখন যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধ শুরু হলো কেন? এই যুদ্ধ থামছে না কেন? এ সকল প্রশ্নকে এই আলোচনার সাথে যুক্ত করা জরুরি।

যুদ্ধ কীভাবে শুরু হলো?
বিশ্বের বড় বড় মিডিয়াগুলোর দিকে চোখ দিন। গার্ডিয়ান থেকে শুরু করে আল জাজিরা পর্যন্ত সবার একই ভাষ্য — ২০১০ সালে তিউনিসিয়ায় যে ‘আরব বসন্ত’র সূচনা, যা তিউনিসিয়ায় বেন আলী, মিশরে মোবারক সরকারের পতন ঘটিয়েছে, সেই বসন্ত মার্চে শুরু হয়েছে সিরিয়ায় আর জুলাইয়ে জন্ম দিয়েছে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘ফ্রি সিরিয়ান আর্মি’র। তারা ডিসেম্বরে শুরু করেছে সশস্ত্র লড়াই। তাদের লক্ষ্য হলো স্বৈরাচারী আসাদ সরকারের পতন। তারা সেই থেকে শুরু করে এখনও যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের সাথে যুক্ত হয়েছে ইরাক ও সিরিয়ার একটা অংশ দখল করে থাকা জঙ্গী গোষ্ঠী ‘আইএস’।

এ যুদ্ধ এতদিন চলত না। একে চালানো হচ্ছে। শুরু থেকে ‘ফ্রি সিরিয়ান আর্মি’ এবং তার সহযোগী ‘আল নুসরা’, ‘জয়েশ আল ইসলাম’, ‘আহরার আল শাম’, ‘আল কায়েদা’ ইত্যাদি জঙ্গীগোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র, অর্থ ও অন্যান্য কারিগরি সুবিধা দিয়ে আমেরিকাই দাঁড় করিয়েছে। আইএস এর সাথে আমেরিকার চলছে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা। তাদের কাছে আমেরিকাই অস্ত্র বিক্রি করছে, ইসরায়েলের মাধ্যমে তেলের বিনিময়ে তার মূল্য পরিশোধ করছে আইএস। ইসরায়েল সরাসরি সিরিয়ার বিদ্রোহীদের সাথে যুক্ত। যুক্ত সৌদিআরব, কাতার, ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো।

এটা তো সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তাহলে তারা সবাই কেন যুক্ত হলেন? বিষয়টি বুঝতে হলে বড় ভাই হিসেবে আমেরিকার মহান দায়িত্বের কথাটা আপনাদের মাথায় রাখতে হবে। এই প্রবল দায়িত্ববোধ থেকে তারা ইরাক, লিবিয়া, আফগানিস্তান আক্রমণ করেছে ও দখল করে রেখেছে। লেবানন ও ফিলিস্তিনে তাদের ভূমিকায় চলছে ইসরায়েলি বর্বরতা, ইয়েমেনে সৌদী আরবের আক্রমণে তারা প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করছে, সুদানকে দু’ভাগ করেছে। এখন সিরিয়াতে আমেরিকার তত্ত্বাবধানে চলছে নির্মম যুদ্ধ। আমেরিকার দায়িত্বটা কী? এসব জায়গায় সে কী করতে চায়? দুটো কাজ সে করতে চায়— ‘গণতন্ত্র ও মানবতা ফিরিয়ে আনতে চায়।’ এই গণতন্ত্র ও মানবতা ফিরিয়ে আনার কথা আমরা শুনেছি ইরাক ধ্বংস করে তাদের নেতা সাদ্দাম হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসি দেবার সময়, শুনেছি লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ লাগিয়ে দিয়ে গাদ্দাফিকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারার সময়। আফগানিস্তানে হঠাৎ এক রাতে ৭৫টি ক্রুজ মিসাইল নিয়ে হামলা করে জানালো তারা মানবতার শত্রুকে খুঁজছে। গণতন্ত্র ও মানবতার এই আমেরিকান উৎসবে মধ্যপ্রাচ্য আজ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ কবরস্থান। লক্ষ লক্ষ লোক পালাচ্ছে দেশ ছেড়ে।

গোটা মধ্যপ্রাচ্যের প্রাকৃতিক সম্পদের দখল নেয়ার জন্য সবগুলো রাষ্ট্রে আমেরিকার তাবেদার সরকার প্রয়োজন। যে-ই এখানে একটু স্বাতন্ত্র্য নিয়ে দাঁড়িয়েছে তাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে আমেরিকা। এতে তিনটি লাভ আমেরিকার— প্রথমত, প্রাকৃতিক সম্পদের নিরঙ্কুশ দখল নিশ্চিত করা। দ্বিতীয়ত, আমেরিকার অর্থনীতি চূড়ান্ত সংকটগ্রস্ত। অর্থনীতির সামরিকীকরণের মাধ্যমে সে এখন টিকে আছে। অস্ত্র উৎপাদন করে অর্থনীতি সচল রাখা হচ্ছে, সেই অস্ত্র কিনছে রাষ্ট্র। রাষ্ট্র যখন কিনে তখন তাকে ব্যবহারও করতে হয়। না হলে নতুন অস্ত্র কেনা যাবে না। সেজন্য বিভিন্ন জায়গায় আংশিক ও স্থানীয় যুদ্ধ লাগিয়ে রাখতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে তাই জমজমাট অস্ত্র ব্যবসা, জমজমাট আমেরিকার অর্থনীতি। যেখানে সে নিজে যুদ্ধ করছে সেগুলোর কথা আমরা বাদই দিলাম, যেখানে সে পরোক্ষ ভূমিকায় সেখানেও তার ব্যবসা আছে। ইয়েমেনে সৌদি হামলার পরপরই আমেরিকার সাথে সৌদিআরবের ৮০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির চুক্তি হয়েছে। তৃতীয়ত, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের অবকাঠামো নির্মাণের কাজ পায় মার্কিন প্রতিষ্ঠানসমূহ। এতেও আমেরিকান অর্থনীতি একটু চাঙ্গা হয়।

পূর্ব ঘৌতায় কী ঘটেছে?
এমন করেই চলছিল। আফগানিস্তানের পর ইরাক, ইরাকের পর লিবিয়া, কিন্তু লিবিয়ার পর সিরিয়ায় এসে আমেরিকা ধাক্কা খায়। সিরিয়ার ক্ষেত্রে আমেরিকা ইরাক-লিবিয়ার মতো একচেটিয়া দখল নিতে পারেনি। সিরিয়ার প্রতিরোধযুদ্ধে পরবর্তীতে রাশিয়া যুক্ত হয়েছে। রাশিয়ার যুক্ত হওয়ার একটা প্রেক্ষাপট আছে। পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে ও বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোতে ন্যাটোর ঘাঁটি স্থাপন করা, ইউক্রেনে মার্কিন-ইউরোপের তাবেদার সরকার বসানো— এ প্রক্রিয়ায় রাশিয়াকে সামরিকভাবে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলার চেষ্টা ইতোমধ্যে শুরু করে দিয়েছিল আমেরিকা ও ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রসমূহ। তার উপর সিরিয়ায় যখন যুদ্ধ শুরু হলো তখন রাশিয়ার আর অপেক্ষা করার অবস্থা রইল না। সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে তারা সিরিয়াকে সাহায্য করতে চায় এই কথা বলে সে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করল। আকাশসীমায় রাশিয়ার আক্রমণ ও মাটিতে সিরিয়ান বাহিনীর আক্রমণে সিরিয়ার ৮৫ ভাগ এলাকা বিদ্রোহীদের দখলমুক্ত হলো। রাজধানী দামেস্কোর কাছে একমাত্র পূর্ব ঘৌতায়ই বিদ্রোহীদের অবস্থান ছিল গত ৬ বছর ধরে। সেটা দখলমুক্ত করা এবং সেখানে আটকে থাকা মানুষকে উদ্ধারের লক্ষ্যে গত ফেব্রুয়ারি মাসে আক্রমণ করা হয়। তাতে অনেকেরই দুঃখজনক মৃত্যু হচ্ছে। দুইপক্ষের গুলিবৃষ্টির মধ্যে পড়ে অনেক শিশু প্রাণ হারাচ্ছে। সেক্ষেত্রে দেখতে হবে, এর জন্য দায়ী কে? বিষয়টিকে সাধারণভাবে নেয়া মোটেই উচিত নয়। আক্রমণের ব্যাপারে প্রশ্ন নেই, প্রতিরোধ যুদ্ধে মানুষ মারা গেলেই মানবতার কথা উঠবে এবং এই প্রচারে সচেতন মানুষেরা ফেঁসে যাবেন এটা হতে পারে না। সিরিয়ার মানুষকে রক্ষা করার একমাত্র রাস্তা হলো একে দখলমুক্ত করে সিরিয়ার মানুষের হাতে ফিরিয়ে দেয়া। এর আগে আলেপ্পো মুক্ত করার সময়ও এই কথা উঠেছিল। আলেপ্পো মুক্ত হওয়ার পর সেখানে যারা বেঁচে আছে তারা আজ আপেক্ষিকভাবে শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারছে। সেখান থেকে শরণার্থী হয়ে অন্য জায়গায় যাওয়ার হারও কমে এসেছে।
এ পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। এর মানে হলো প্রায় পালাতে থাকা বিদ্রোহীদের সংগঠিত হওয়ার সুযোগ দেয়া, যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করা। সিরিয়ার সরকারি বাহিনী ও রাশিয়ান বাহিনী সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিনে ৫ ঘন্টা যুদ্ধবিরতি থাকবে আটকে পড়া মানুষকে বের করে নিয়ে যাওয়ার জন্য, বাকি সময় যুদ্ধ চলবে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ও প্রমাণিত যে, বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে হত্যার যে ছবিগুলো আসছে তার বেশিরভাগই আগের ছবি। অর্থাৎ এই প্রচারের উদ্দেশ্যও বোঝা শক্ত নয়।

আসাদ বশ্যতা স্বীকার করেননি বলেই এই যুদ্ধ
রাশিয়াকে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলার পরিকল্পনা ছিল আমেরিকার। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এবং ইরানের উপর আক্রমণের জন্য ২০০৯ সালে সিরিয়ায় সামরিক ঘাঁটি তৈরি করতে চেয়েছিল মার্কিন সরকার। কিন্তু আসাদ তাতে রাজী হননি। মধ্যপ্রাচ্যের সাথে ইউরোপের ¯’লপথের যোগাযোগের ক্ষেত্রে সিরিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। ইউরোপ-মধ্যপ্রাচ্য স্থলপথ জলপথের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চেয়েছিল মার্কিন সরকার। সিরিয়া তাতে সম্মতি দেয়নি। পারস্য উপসাগরে সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার দুই তৃতীয়াংশের মালিকানা মার্কিন বশংবদ কাতার সরকারের — সেই গ্যাস কাতার – সৌদিআরব-জর্ডান-সিরিয়া-তুরস্ক হয়ে ইউরোপে পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য স্থলপথে গ্যাস পাইপলাইন স্থাপনের পরিকল্পনা করেছিল মার্কিন সরকার। তাতে রাশিয়ার গ্যাসের উপর ইউরোপের যে নির্ভরশীলতা তাও কাটানো যেত, রাশিয়া গ্যাস বিক্রি বন্ধ করে দেবে বলে ইউরোপকে যে চাপ দেয় তা দিতে পারত না। কিন্তু আসাদ এর কোনোটিকেই বাস্তবায়ন করতে দেননি। ফলে আসাদ স্বৈরাচারী কিনা— এ ব্যাপারে তার দেশের মানুষ যাই মানে করুক, আমেরিকার কথা মতো সে চলেনি, তাই গণতন্ত্র ও মানবতার শত্রু হয়ে গেছে।

আমেরিকার বর্তমান পরিকল্পনা
মার্কিন বিদেশ সচিব রেক্স টিলারসন ১৭ জানুয়ারি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তৃতায় সিরিয়া বিষয়ে বলেছেন, ‘তাঁদের এখনকার উদ্দেশ্য প্রথমত, বাসার আল আসাদের সরকারকে উচ্ছেদ করার জন্য উত্তর সিরিয়ায় স্থায়ী মার্কিন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা। দ্বিতীয়ত, সন্ত্রাসবাদীদের দখল করা এলাকাগুলিতে মার্কিন মদতপুষ্ট বাহিনীর ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা। তৃতীয়ত, সিরিয়াকে ভাগ করে দখলকৃত মার্কিন এলাকায় আরও বেশি অস্থিরতা সৃষ্টি করা, যার সুযোগে সিরিয়াতে মার্কিন তাঁবেদার সরকার বসানো যায়।’ (ইউএস পিস কাউন্সিল, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)

সিরিয়ার সংকট আমেরিকা ও তার সহযোগী সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোর তাদের বাজার বিস্তারের পরিকল্পনার বাইরের কোনো ব্যাপার নয়। রাশিয়া নিজেও সাম্রাজ্যবাদী দেশ। সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লড়াই করবার জন্য সিরিয়াতে সে অস্ত্র ধরেনি, সে ধরেছে তার নিজের স্বার্থে, কিন্তু তা আমেরিকার আক্রমণের বিরুদ্ধে সিরিয়ার সরকার কাজে লাগাতে পারছে। সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়ন আজ আর নেই, যে একসময় ফ্যাসিবাদের নগ্ন আক্রমণ থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করেছিল, সাম্রাজ্যবাদীদের উপর জোর করে শান্তি আরোপ করেছিল। মার্কিন বর্বরতা দেখে একসময় তাদের দ্বারা গড়ে ওঠা তালেবান সরকারের ভ্রাম্যমান রাষ্ট্রদূত রাহমাতুল্লাহ্ হাশমী বলেছিলেন, “মনে আছে গর্বাচেভ কী বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন যে, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ক্ষতিটি করতে যাচ্ছেন। সবাই মনে করল তিনি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র উড়িয়ে দিতে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি বললেন, আমি ওদের শত্রুকে সরিয়ে দিতে যাচ্ছি। তারপর তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নকে খন্ড খন্ড করলেন। তিনি সঠিকই বলেছিলেন। তিনি সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে দেয়ার পর বহু লোকের চাকরি গেছে; পেন্টাগন থেকে, সিআইএ থেকে, এফবিআই থেকে। কারণ তখন তাদের আর প্রয়োজন নেই। তাই আমাদের মনে হয় যে, এই লোকগুলো এখন একটা জুজুবুড়ি খুঁজছে।”

এই জুজুবুড়ি হলো ইসলামী জঙ্গীবাদ। আমেরিকা ও তার দোসরদের উদ্যোগেই তার প্রসার ঘটছে। তাদের বিরুদ্ধেই আবার তারা যুদ্ধ করছে। প্রশ্ন উঠেছে, ১৫ বছর ধরে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ চলছে, কিন্তু তাতে সন্ত্রাসবাদ কমছে না, বরং বেড়েই চলছে। কেন? এর উত্তর হয়তো আর দেবার প্রয়োজন নেই।

আজ সিরিয়ার জনগণের প্রতি মমত্ব বা দায়বদ্ধতা প্রকাশের একটাই রাস্তা আছে, তা হলো দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলা।

Check Also

ssf

প্রশ্নফাঁস আর পরীক্ষার চাপে শৈশব-কৈশোর আজ অন্ধকারে

ক’দিন আগে শেষ হলো এসএসসি পরীক্ষা। পরীক্ষার আগে থেকেই সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের উদ্যোগে প্রশ্নপত্র ফাঁস …