Breaking News

সুন্দরগঞ্জে কৃষিজমি রক্ষার দাবিতে আন্দোলনকারী নেতৃবৃন্দকে গ্রেপ্তারে নিন্দা ও ক্ষোভ

32116817_1975347506021125_6379466665943367680_nবাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) সাধারণ সম্পাদক কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরী আজ এক বিবৃতিতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ‘আবাদি জমি ও বাস্তুভিটা রক্ষা সংগ্রাম কমিটি’-র উপদেষ্টা ও বাসদ(মার্কসবাদী) উপজেলা শাখার আহ্বায়ক বীরেন চন্দ্র শীলসহ ১০জন আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তারে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন। তিনি অবিলম্বে আন্দোালনরত নেতৃবৃন্দ ও জনতার নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে আটককৃতদের মুক্তি এবং স্থানীয় জনসাধারণের সাথে আলোচনা করে তাদের সম্মতি নিয়ে অকৃষি জমিতে প্রস্তাবিত সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলেন, “দেশের শীর্ষ ঋণখেলাপি ও শেয়ারবাজার জালিয়াতিতে অভিযুক্ত সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন বেক্সিমকো কোম্পানী সুন্দরগঞ্জের তারাপুর ইউনিয়নে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ‘তিস্তা সোলার প্ল্যান্ট’ নামে একটি সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করতে সরকারের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। চুক্তির শর্তানুযায়ি বাস্তুভিটা ও আবাদি জমি নষ্ট করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা যাবে না এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্থান হবে লাঠশালার চরে। অথচ শর্ত ভঙ্গ করে কোম্পানী নানা ষড়যন্ত্র এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে এলাকার মানুষকে তাদের বাপ-দাদার বসতভিটা ও আবাদি জমি থেকে উচ্ছেদ করছে। এমনকি তারা পার্শ্ববর্তী মৌজা চর খোর্দ্দার মানুষকেও উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র করছে, যেটি একটি জনবহুল ও উর্বর কৃষি জমির এলাকা। কোম্পানীর বে-আইনী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে এলাকাবাসী ‘বাস্তুভিটা ও আবাদি জমি রক্ষা সংগ্রাম কমিটি’র ব্যানারে প্রতিবাদ করে আসছিল। তারা ইউএনও, জেলা প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে। কিন্তু প্রশাসন লুটেরা সালমান এফ রহমানের কোম্পানীর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টোদিকে প্রতিবাদ করার কারণে পুলিশ সাধারণ মানুষের উপর গুলি চালিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হয়েছে ১০ জন। পুলিশ এবং কোম্পানী কর্তৃপক্ষ আন্দোলনকারীদের নামে ৩টি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। যে মামলাগুলোতে নাম উল্লেখ করে শতাধিক এবং অজ্ঞাতনামা ১ হাজার ২শ জনকে আসামী করা হয়েছে। মিথ্যা মামলায় সর্বশেষ গত সোমবার বাসদ মাকর্সবাদী সুন্দরগঞ্জ উপজেলার আহবায়ক বীরেন চন্দ্রশীলসহ আন্দোলনকারী রুপিয়া বেগম, আরজিনা বেগম, মুক্তি বেগম, শরফুন্নেছা, রেজাউল, রাজ্জাক, বাদশা, শাহজাহান, আকরাম মন্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে।”

কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরী গাইবান্ধার সিভিল প্রশাসনের নির্বিকার ভূমিকা ও পুলিশ প্রশাসন কর্তৃক বেক্সিমকো কোম্পানীর লাঠিয়াল হিসেবে ভূমিকা পালন করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

Check Also

3.6.18 SPBM 2 copy

বাজেটে জনকল্যাণমূলক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি

  ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় কমিয়ে কৃষি-শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ জনকল্যাণমূলক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবিতে …